পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
সবাইকে তাক লাগিয়ে দিলো uncle এবং pk uncle এবং pk কে নিয়ে ট্রল ভিডিও দেখুন
ছবি
তাহসান এর নতুন মিউজিক ভিডিও দেখুন
ছবি
নাদিয়ার জনপ্রিয় ভিডিও মিউজিক দেকতে এখনেই ক্লিক করুন clcik and get earn money

শিঘ্রই রংপুরেও চলবে ডাবল ডেকার বাস (রাংপুর টু ঢাকা)

ছবি
earn money ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চালু হচ্ছে গ্রিন লাইনের বিলাসবহুল ডাবল ডেকার বাস। আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিলাসবহুল এই ১০টি বাসের উদ্বোধন করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। click and get earn money পাঁচ রংয়ের ১০টি বাসের মধ্যে দুটি আকাশি নীল, দুটি লাল, দুটি সাদা, দুটি কমলা ও দুটি গাঢ় নীল রংয়ের। জার্মানির 'ম্যান' ব্র্যান্ডের এসব বাসের সম্পূর্ণ বডি প্রস্তুত করা হয়েছে মালয়েশিয়ায়। টাকা কামান মুহুর্তে এ ব্যাপারে গ্রিনলাইন পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সাত্তার জানান, নতুন বাসের প্রতি আসনের ভাড়া ১৩০০ টাকা। ৪০ আসনের এসব বাসে নিচতলায় থাকছে সাতটি আসন এবং দ্বিতীয় তলায় ৩৩টি।  ২মিনিটে কামান ২০০টাকা প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে ভলভো এবং ২০০৫ সালে স্ক্যানিয়ার বিলাসবহুল এসি বাস আমদানি করে গ্রিনলাইন পরিবহন। ২০১৩ সাল থেকে দূরপাল্লার যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য স্লিপার কোচে যাত্রীসেবা শুরু করে।  এরই ধারাবাহিকতায় এবার যাত্রীসেবায় দূরপাল্লার রুটে দোতলা বাস আনল গ্রিন লাইন কর্তৃপক্ষ।   আতি শিঘ্রই রাংপুরেও চলবে ডাবল ডেকার বাস...

আসুন, বান্যার্থি মানুষের পাশে দাঁড়াই

ছবি
দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা গুরুতর রূপ নিয়েছে। বিশেষকরে এবার উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি। মানুষ নিজের বাড়ি হারিয়েছে। তারা খাদ্য, নিরাপদ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ মুহূর্তে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, যত দ্রুত সম্ভব অন্য কারো মাধ্যমে না দিয়ে আপনারা নিজ হাতে বন্যার্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আমাদের দেশের মানুষ আজীবন প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করে বেড়ে উঠেছে। সুতরাং বিপদের দিনে একটু সাহায্যই তার জন্য অনেক বড় প্রেরণা। বন্যাদুর্গতদের বেশির ভাগই খেটে খাওয়া, দিনমজুর শ্রেণির মানুষ। দৈনিক কাজে বেরোলে পেটে দানাপানি পড়ে, নচেৎ নয়। কাজের সব ক্ষেত্র প্লাবিত থাকায় কিংবা নিজেরা পানিবন্দি থাকায় নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে না যেতে পেরে তাদের দিনের পর দিন অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। এ ছাড়া জীবিকার তীব্র সংকটের পাশাপাশি পানিবাহিত রোগবালাইতে তাদের দুর্ভোগটা পৌঁছায় চরমে। তাই সবার সহায়তায় তাদের অন্তত খাদ্যের ব্যবস্থা করা গেলে দুর্ভোগের সিংহভাগই কমবে।